দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে খদরে আস্ত খাসি না পেয়ে বিয়ে না করে চলে যাওয়া সেই আলোচিত জাপানপ্রবাসী বর জোনায়েদ মিয়া নতুন করে বিয়ে করেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জোনায়েদ। এর আগে রাত ১১টার দিকে কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
নতুন কনে জান্নাত আক্তার আখাউড়ার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি মহিলা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বলে জানা গেছে। কনের মামা তাজু সরকারের নেয়ামতপুর গ্রামের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হয়। একই গ্রামের বাসিন্দা জোনায়েদের বাড়িও সেখানে।
ফেসবুক পোস্টে জোনায়েদ লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ সম্পন্ন হলো। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবার কাছে দোয়া ও শান্তিময়, সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করছি।’
জোনায়েদের ছোট ভাই পারভেজ বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নতুন বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) আখাউড়ার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে খদরে আস্ত খাসি না পাওয়ায় বিয়ে না করেই চলে যান জোনায়েদ। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে প্রথম বিয়ের কনেপক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করেন জোনায়েদ। তার দাবি, বিয়ের আসরে খাওয়া-দাওয়া শেষে কনেপক্ষ পূর্বনির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে ১০ গুণ বেশি কাবিন দাবি করে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং তাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে কনের জন্য আনা মালামালও ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ ছাড়া কনের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না থাকায় রাতে কনেপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলেও জানান জোনায়েদ। তার দাবি, বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে হুমকি দেওয়া হয়। পরে টাকা দিয়ে সাংবাদিক ভাড়া করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলেও ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে কনেপক্ষের দাবি, ১৪ আগস্ট উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে লিখিত ফর্দনামায় ২ লাখ টাকা নগদ কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল এবং বরের পক্ষের প্রতিনিধি মনির হোসেন তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
এমএম/